পুঁজিবাজারে ব্যাংক খাতে তালিকাভুক্ত প্রাইম ব্যাংক পিএলসির শেয়ারদর গত সপ্তাহে ১৩ দশমিক ৪১ শতাংশ কমেছে। আলোচ্য সপ্তাহে শেয়ারটির সমাপনী দর দাঁড়িয়েছে ২১ টাকা ৩০ পয়সায়, আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল ২৪ টাকা ৬০ পয়সা। এতে শেয়ারটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাপ্তাহিক দরপতনের শীর্ষ তালিকায় উঠে এসেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ২০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে ব্যাংকটির পর্ষদ। এর মধ্যে ১৭ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ ও ২ দশমিক ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬ টাকা ৪৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ টাকা ২৪ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩৪ টাকা ৭ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে প্রাইম ব্যাংকের পর্ষদ বিনিয়োগকারীদের ১৭ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ২৪ পয়সা, আগের হিসার বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৫৩ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩০ টাকা ৭৬ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরের জন্য বিনিয়োগকারীদের সাড়ে ১৭ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটি। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৫৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৮৭ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৮ টাকা ৪১ পয়সায়।
২০০০ সালে পুঁজিবাজারে আসা প্রাইম ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ২ হাজার ৫০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ১৬০ কোটি ৫৯ লাখ ১০ হাজার টাকা।
রিজার্ভে রয়েছে ২ হাজার ২২৯ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১১৬ কোটি ৫ লাখ ৯০ হাজার ৫৬৩। এর মধ্যে ৪০ দশমিক ৩৫ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে। এছাড়া ৩৫ দশমিক ১৫ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী, ৪ দশমিক ৯৬ শতাংশ বিদেশী বিনিয়োগকারী ও বাকি ১৯ দশমিক ৫৪ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।